জোকসটা

স্বামী স্ত্রী কবিতার মাধ্যমে ঝগড়া করছেঃ

বিয়ের পর স্বামীঃ আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে মৌ, আগে জানলে আনতাম না ঘরে এমন ঝগড়াটে বউ।। স্ত্রীঃ নোটন নোটন পায়রা গুলি ঝোটন বেঁধেছে , আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে বলেছে? স্বামীঃ ঐ দেখা যায় তালগাছ ঐ আমাদের গাঁ, বিয়ের আগে লক্ষী মেয়ে, কিছুই চাইতো না। স্ত্রীঃ হাড়- কিপ্টা………। স্বামীঃ আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, বিয়ের পরে এখন শুধু করে যে খাই খাই।। স্ত্রীঃ ছিপখান তিন দাঁড় তিন জন মাল্লা, কি আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।। স্বামীঃ ভোঁর হল দোড় খোল খুকুমনি উঠোরে, ভালো যদি না লাগে বাপের বাড়ী ছোটরে।। স্ত্রীঃ আগডুম বাগডুম ঘড়ারডুম সাঁজে, আগে বুঝি নাই তুমি এত বাজে।। স্বামীঃ আয় বৃষ্টি ঝেঁপে ধান দিবো মেপে, আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে।। স্ত্রীঃ আগে কি বলতে মনে আছে ?? পূরণ করতে তোমার মনের সাধ, আকাশ থেকে আইনা দিমু চাঁদ।। এখন বাজার থেকে শাড়ি আনাও বাদ, কে জানত আগে, প্রেমে এত খাঁদ।

জোকস

একটু মনোযোগ দিয়ে জোকসটা পড়বেন.. টিচার ছাত্রকে প্রশ্ন করলো টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার? ( ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল ) ছাত্র: স্যার জনক হইলো ২ প্রকার৷ একটা হইলো ‘জাতির জনক’ আর আরেকটা হইলো ‘আশঙ্কাজনক’৷ ( উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে ) টিচার: তোর উত্তর হয় নাই৷আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷আর সেইটা হবে তর জন্য ‘বিপদজনক’৷ ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷আরও এক প্রকার জনক আছে৷ আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য ‘সুবিধাজনক’৷ তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷ আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধইরা আনতে পারেন, তবে সেইটা হবে আপনার জন্য ‘লজ্জাজনক’৷ কি ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট তাই না? আর আপনারা এই পোষ্ট পইড়া যদি comment না করেন তবে সেথা হবে আমার জন্য ‘অপমানজনক’